সমাজতন্ত্র: গণদাবি থেকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ইতিহাসের কোনো আকস্মিকতা নয়। এ অঞ্চলের জনগণের হাজার বছরের বহুমাত্রিক লড়াইয়ের যৌক্তিক পরিণতি হল এই স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সেজন্য সঙ্গত কারণেই ওই দীর্ঘ ঐতিহাসিক পথ পরিক্রমায় জনগণের মধ্যে যুগ যুগ ধরে লালিত কতগুলো গণদাবির প্রতিফলন ঘটে দেশের সংবিধান তথা রাষ্ট্রীয় মূলনীতিতে। আর এসব উপাদানেই গঠিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। এর মধ্যে অন্যতম হলÑ সমাজতন্ত্র। সমাজতন্ত্রের এই অন্তর্ভূক্তি কোনো রাজনৈতিক দল তথা শাসক গোষ্ঠীর বদান্যতা নয়, বরং তা জনগণের বহুকালের সমাজতন্ত্রমূখীন নানা সংগ্রামের মহৎ অর্জন।
বস্তুত এ অঞ্চলের জলবায়ু, উর্বর ভূমি, এশীয় উৎপাদন ব্যবস্থা, জীবন-জীবিকার সংগ্রাম, অসাম্পদায়িক-পরধর্মসহিষ্ণু-উদার-মানবিক সংস্কৃতি, মাতৃতান্ত্রিক ও কৌম সমাজের প্রভাব ইত্যাদি এখানকার জনমানসে নানাভাবে সমাজতান্ত্রিক লোকায়ত চেতনা উম্মেষের অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করেছে। তাই বৃটিশ উপনিবেশবাদের অধীনতার কালপর্ব থেকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসনামালে সংঘটিত বিভিন্ন গণআন্দোলন ও গণবিদ্রোহে নানাভাবে জনগণের ওই সমাজতান্ত্রিক চেতনার বিকাশ লক্ষ করা যায়। রুশ বিপ্লব ও বিশ্ব সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার আবির্ভাব, চীন বিপ্লব, ভিয়েতনাম ও কিউবার বিপ্লবী সংগ্রামÑ এসব প্রেরণাদায়ক আন্তর্জাতিক ঘটনাবলী ওই গণ-চেতনার বিকাশকে ত্বরান্বিত করে।
সমাজতন্ত্রের প্রতি জনগণের ওই ক্রমবর্ধমান আগ্রহ পাকিস্তানি আমলে অব্যাহত থাকলে ১৯৫৪ সনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের প্রাক্কালে এর কিছুটা মূর্ত প্রকাশ ঘটে। কেননা সমাজতন্ত্রের প্রতি জনগণের এই আকাংখার সমর্থনে কিছু দাবি দাওয়া যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী কর্মসূচি ২১ দফায় অন্তর্ভূক্ত হয়। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলÑ বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, শিক্ষকের ন্যায়সঙ্গত বেতনভাতা, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের ভেদাভদ বিলোপ, বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ, ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে জমি বন্টন, খাজনা ন্যায়সঙ্গত করণ ও সার্টিফিকেট খাজনা প্রথা বন্ধ, সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন, পাট ব্যবসা জাতীয়করণ ও পাটের ন্যায্য মূল্য প্রদান, জলসেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে খাদ্য সমস্যার সমাধান ও দুর্ভিক্ষের ভীতি দূরীকরণ, পূর্ববাংলার শিল্পায়ন, আন্তর্জাতিক শ্রমনীতি অনুযায়ী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, ফটকাবাজারি বন্ধ করা, ঘুষ-দুর্নীতি রোধ, উচ্চ পদস্থ ও নিম্নপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ব্যবধান হ্রাস, তাদের আয় ব্যয়ের হিসাব নিকাশ এবং অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, প্রশাসনের গণতন্ত্রীকরণ, বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগ থেকে পৃথকীকরণ, মন্ত্রীর বেতন সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা নির্ধারণ, প্রধানমন্ত্রীর জন্য কম ব্যয়ের বাসভবনের ব্যবস্থা, সকল কালাকানুন বাতিল। যুক্তফ্রন্টের এই ২১ দফা পুরোপুরি সমাজতান্ত্রিক কর্মসূচি না হলেও তা নিঃসন্দেহে শ্রমজীবী মেহনতী মানুষের সমাজতন্ত্র অভিমুখী আশা-আকাঙ্খাকে ধারণ করেছে। একই ধারাবাহিকতায় আমরা পরবর্তীকালে ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পূর্ববাঙলার ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিরূপে ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফায় অনুরূপভাবে যে সমাজতান্ত্রিক ধাঁচের কর্মসূচি দেখি, তা তৎকালীন জনগণের গণদাবিরই স্বীকৃতি। উল্লেখ্য যে, এ দেশের ছাত্র সমাজ তথা ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে কৃষক-শ্রমিকসহ শ্রমজীবী জনগণের আন্দোলনের গভীর সংযোগ বরাবরই স্থাপিত হয়েছে। এর অন্যতম কারণ হলÑ ছাত্র সমাজের শ্রেণীভিত্তি। ছাত্র সমাজের অনুপাতে নাগরিক অভিজাত ও উচ্চবিত্ত, জোতদার-ধনীকৃষক, উচ্চ পদস্থ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা ইত্যাদি স্তরের সংখ্যাধিক্য বৃটিশ ও পাকিস্তানি শাসনামলের শুরুর দিকে ছিল লক্ষণীয়। কিন্তু ক্রমশ পূর্ববাংলার ছাত্র সমাজে কৃষক, শ্রমিক মেহনতী মানুষসহ গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে থেকে আসা ছাত্রদের সংখ্যা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়। ছাত্র সমাজের এই শ্রেণীগত সংখ্যা অনুপাতের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি প্রাপ্তি তাদের শ্রমজীবী মানুষের দাবি-দাওয়া ও সংগ্রামের প্রতি সহানুভূতিশীল করে তোলে। এর পাশাপাশি বিশ্ব সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রভাব এবং দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদ-উপনিবেশবাদ বিরোধী জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের অপ্রতিরোধ্য গণজোয়ার এ দেশের ছাত্রসমাজের মধ্যে নবচেতনার উম্মেষ ঘটায়। নিজস্ব শিক্ষা আন্দোলনের গগিু ছাড়িয়ে ছাত্র সমাজ শ্রমজীবীদের নানা ন্যায্য আন্দোলনসহ জাতীয় আন্দোলনে দায়-দায়িত্ব কিছুটা কাঁধে তুলে নেয়। গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম চালিকা শক্তি হয়ে উঠে ছ্রাত্র-সমাজ। অন্যদিকে এই শ্রেণী নৈকট্যের কারণে গ্রাম-শহরের কৃষক-শ্রমিক ও মেহনতী জনগনও ছাত্র সমাজের ন্যায্য আন্দোলনে তাই অকুন্ঠ সমর্থন জাগায়। ফলে এভাবে ছাত্র আন্দোলন এবং শ্রমজীবী জনগণের শ্রেণী আন্দোলন পরস্পরের সমর্থন ও সহযোগিতায় পরিপুষ্ঠ হয়েছে। পরবর্তীকালে ৯০ দশকের স্বৈরাচার-সামরিক শাসন বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কালপর্বে এই ঐতিহ্যের ধারা অনেকটা অব্যাহত থেকেছে।
৬৯-র গণঅভ্যুথানের উত্তাল কালপর্বে আওয়ামী লীগের ৬ দফার নানা সীমাবদ্ধতার পরিপ্রেক্ষিতে প্রণীত হয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা। এই অতীতের ধারাবাহিকতায় ছাত্র সমাজের এই মুক্তি সনদেও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ও সমাজতন্ত্রমুখী কিছু নতুন গণদাবি অন্তর্ভূক্ত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-গণমুখী ও বৈজ্ঞানিক শিক্ষা ব্যবস্থা কায়েম, পূর্ব পাকিস্তানের মুদ্রা পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার রোধ, বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে অঙ্গরাষ্ট্রগুলির নানা ধরনের চুক্তি অধিকার, পূর্ব পাকিস্তানকে মিলিশিয়া বা প্যারা মিলিটারি রক্ষীবাহিনী গঠনের ক্ষমতা প্রদান, বৃহৎ শিল্প কারখানা-ব্যাংক-বীমা-জাতীয়করণ, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও বোনাস প্রদান, তাদের জন্য শ্ক্ষিা, চিকিৎসা, বাসস্থানের ব্যবস্থা ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার, সেন্টো-সিয়াটো ও পাক-মার্কিন চুক্তি বাতিল, জোট নিরপেক্ষ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ।
এভাবে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি যেমন সুদীর্ঘকালের পরিসরে রচিত হয়েছে, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাশ্রয়ী রাষ্ট্রীয় মূলনীতি স্বরূপ সংবিধানে সমাজতন্ত্রের অন্তর্ভূতি ঘটেছে জনগণের দীর্ঘকালের গণ-আকাংখার প্রতিফলন স্বরূপ। তাই আমরা ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় এই ঘোষণা দেখি: ...‘ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে।’ কিংবা সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষিত হয়েছে: ‘ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র... রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।’ শুধু তাই নয় জনগণকে রাষ্ট্রের সকল সম্পদের মালিক বা নিয়ন্ত্রক রূপে প্রতিষ্ঠিত করেছে সংবিধান। এখানে বলা আছে: ‘উৎপাদন যন্ত্র, উৎপাদন ব্যবস্থা ও বন্টন প্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা ব্যবস্থা হইবে নিম্নরূপ: (ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রয়াত্ত সরকারি খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা; (খ) সমবায়ী মালিকানা অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং (গ) ব্যক্তিগত; অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা।’
এখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে, দেশের সকল সম্পদের উপর জনগণের মালিকানা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সংবিধান রাষ্ট্রায়ত্ত খাত বা রাষ্ট্রীয় মালিকানার উপর প্রাধান্য দিয়েছে এবং সমবায়ী মালিকানার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছে। এমন কি ব্যক্তিগত মালিকানা সীমাবদ্ধ রাখার বিধানও রেখেছে। শুধু তাই নয় পুঁজিবাদী মুক্তবাজারে অর্থনীতি নয়, পরিকল্পিত অর্থনীতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করা হয়েছে সংবিধানে: ‘রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনীতির বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধি সাধন আর এই পরিকল্পিত অর্থনীতির মাধ্যমে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের কতগুলি মৌলিক চাহিদা ও অধিকার নিশ্চিত করবে। এগুলি হলো: (১) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা এবং জীবন-জীবিকার নিশ্চয়তা (২) যুক্তি সঙ্গত মজুরির বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা (৩) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার (৪) সামাজিক নিরাপত্তা অধিকার (৫) নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূরীকরণ।’ এছাড়াও আমরা সমাজতান্ত্রিক নীতির সম্পূরক কতগুলি রাষ্ট্রীয় নীতি সংবিধানে লক্ষ করি। এর মধ্যে অন্যতম হল: (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবে। (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য; নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধা দান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন (২) কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার কর্তব্য ও সম্মানের বিষয় এবং ‘প্রত্যেকের নিকটা হইতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেকে কর্মানুযায়ী’ এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করিবেন। (৩) রাষ্ট্র এমন অবস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করিবেন যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করিতে সমর্থ হইবে না এবং যেখানে বৃত্তিমূলক ও কায়িক সকল প্রকার শ্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হইবে।’ তবে সংবিধানে রাষ্ট্রীয় অন্যতম মূলনীতি রূপে সমাজতন্ত্রের এই অন্তর্ভূক্তি এবং এই উদ্দেশ্যে কতগুলি নীতিমালার মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ শটকার্ট সমাজতান্ত্রিক দেশে পরিণত হবে বা হতে পারতো এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। কেননা রাষ্ট্র ক্ষমতায় কোন শ্রেণীর রাজনৈতিক দল অধিষ্ঠিত সেটি এখানে বিবেচ্য। কিন্তু তা সত্ত্বেও জনযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংবিধানে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি স্বরূপ সমাজতন্ত্রের স্বীকৃতি জনগণের স্বপ্নের সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বৈকি। একে খাটো করে দেখাটা ঠিক নয়। বরং এই অর্জনকে পাথেয় করে সমাজতন্ত্র কায়েমের সংগ্রাম জোরদার করা আমাদের এখনকার দায়িত্ব-কর্তব্য। বিশেষত যখন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দলসহ অতীত ও বর্তমানের সকল ক্ষমতাশীল দল অন্যতম রাষ্ট্রীয় মূলনীতি সমাজতন্ত্র থেকে পথ বিচ্যুত হয়ে পুঁজিবাদী মুক্তবাজারের কাছে আত্মসমর্পন করেছে, তখন এই সমাজতান্ত্রিক মূলনীতিকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে। কেননা পুঁজিবাদের জাতীয় ও বৈশ্বিক সংকট আমাদের এই শিক্ষাই দেয়।
তথ্যসূত্র:
ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস—মোহাম্মদ হাননান
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান



মন্তব্য নেই
Philip W
প্রকাশিত ০৭ অক্টোবর ২০১৮ প্রতিমন্তব্যPhasellus hendrerit. Pellentesque aliquet nibh nec urna. In nisi neque, aliquet vel, dapibus id, mattis vel, nisi. Sed pretium, ligula sollicitudin laoreet viverra, tortor libero sodales leo, eget blandit nunc tortor eu nibh. Nullam mollis. Ut justo. Suspendisse potenti.
Philip W
প্রকাশিত ০৭ অক্টোবর ২০১৮ প্রতিমন্তব্যPhasellus hendrerit. Pellentesque aliquet nibh nec urna. In nisi neque, aliquet vel, dapibus id, mattis vel, nisi. Sed pretium, ligula sollicitudin laoreet viverra, tortor libero sodales leo, eget blandit nunc tortor eu nibh. Nullam mollis. Ut justo. Suspendisse potenti.